āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āϜুāύ, ⧍ā§Ļ⧍ā§Ļ

āφāϞ্āϞাāĻš āϝেāϏāĻŦ āĻ…āĻ™্āĻ—ীāĻ•াāϰ āĻĒূāϰāĻŖেāϰ āĻ“ā§ŸাāĻĻা āĻ•āϰেāĻ›েāύ

আল্লাহ তাআলা কোরআনের অসংখ্য স্থানে বলেছেন যে তিনি আদৌ অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন না। যা অঙ্গীকার করেন, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করেন।

সেগুলো হলো—

১. আল্লাহ তাআলার একটি অঙ্গীকার হলো, ‘তোমরা আমাকে ডাকো (আমার কাছে দোয়া করো), আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব (দোয়া কবুল করব)। ’ (সুরা : গাফের, আয়াত : ৬০)

উম্মতে মুহাম্মদীর বিশেষ সম্মানের কারণে দোয়া করার আদেশ করা হয়েছে এবং তা কবুল করার ওয়াদা করা হয়েছে। যারা দোয়া করে না, তাদের জন্য শাস্তিবাণী উচ্চারণ করা হয়েছে। কাব আহবার থেকে বর্ণিত আছে, আগের যুগে শুধু নবী-রাসুলদেরই বলা হতো, দোয়া করুন, আমি কবুল করব। কিন্তু এ উম্মতের বেলায় এ আদেশ ব্যাপক করে দেওয়া হয়েছে। এটি উম্মতে মুহাম্মদীর বৈশিষ্ট্য। (ইবনে কাসির)

২. আল্লাহ তাআলার আরেকটি অঙ্গীকার হলো, ‘তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণে রাখব এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, অকৃতজ্ঞ হয়ো না। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৫২)

এ আয়াতের অর্থ হলো, তোমরা যদি আমাকে আমার হুকুমের আনুগত্যের মাধ্যমে স্মরণ করো, তাহলে আমিও তোমাদের সওয়াব ও মাগফিরাত দানের মাধ্যমে স্মরণ করব। সাঈদ ইবন জুবাইর (রা.) এ আয়াতের তাফসির প্রসঙ্গে বলেছেন, জিকির তথা আল্লাহকে স্মরণ করার অর্থ হলো তাঁর আনুগত্য ও নির্দেশ মান্য করা।

যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশের আনুগত্য করে না, সে আল্লাহর জিকিরই করে না, প্রকাশ্যে সে যত বেশি নামাজ এবং তাসবিহই পাঠ করুক না কেন।

৩. আল্লাহ তাআলার আরেকটি অঙ্গীকার হলো, ‘স্মরণ করো, তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে যদি তোমরা (নিয়ামতের) কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তবে তোমাদের (নিয়ামত) আরো বাড়িয়ে দেব...। ’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৭)

এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলছেন, যদি আমার নিয়ামত আমার অবাধ্যতায় ও অবৈধ কাজে ব্যয় না করো এবং নিজেদের ক্রিয়াকর্মকে আমার মর্জির অনুগামী করার চেষ্ট করো, তাহলে আমি এসব নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেব। এ বাড়ানো নিয়ামতের পরিমাণেও হতে পারে এবং স্থায়িত্বেও হতে পারে। মহানবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের তাওফিক প্রাপ্ত হয়, সে নিয়ামতের বরকতও প্রাপ্ত হয়। (তাফসিরে মাজহারি)

৪. আল্লাহ তাআলার আরেকটি অঙ্গীকার হলো, ‘...আল্লাহ এমন নন যে তারা ক্ষমা চাইবে অথচ আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন। ’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৩৩)

এ আয়াতে আল্লাহর শান্তি আসার পথে একটি অন্তরায়ের কথা বলা হয়েছে, তা হলো ক্ষমা প্রার্থনাকারী এক দল লোকের উপস্থিতি। আল্লাহ তাআলা অঙ্গীকার করেছেন যে যদি কোনো এলাকায় মুত্তাকি-পরহেজগার ও ক্ষমা প্রার্থনাকারী এক দল লোক থাকেন, আল্লাহ তাআলা সেখানে শাস্তি দেবেন না। করোনাভাইরাসসহ সব ধরনের মহমারি ও বিপদাপদ থেকে অবশ্যই আল্লাহ তাআলা রক্ষা করবেন, যদি তাঁর কাছে নিজের ভুলের জন্য তওবা করে ক্ষমা চাওয়া হয়।

© লেখক : মুফতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
প্রধান ফকিহ, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদরাসা, ফেনী

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

🚫 Note: ® [This is one of my Favorite Islamic Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.] ♥️

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

⚠ ️N.B : [All the post on this blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Bohemian's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

🔊 Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌹

📮 Posted by : © "Bohemian's Diary" (former, Dhumkeatu's Diary) || 16.06.2020 || 🇧🇩

āĻšিāϰাāĻ•্āϞি⧟াāϏেāϰ āĻ•াāĻ›ে āĻŽāĻšাāύāĻŦী (āϏা.)-āĻāϰ āϚিāĻ ি

দিহইয়াতুল কালবি (রা.)-কে দিয়ে বসরার শাসকের মাধ্যমে হিরাক্লিয়াসের কাছে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি তা পড়লেন।

তাতে (লেখা) ছিল, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম (পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে)। আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল মুহাম্মদ (সা.)-এর পক্ষ থেকে রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াসের প্রতি। শান্তি (বর্ষিত হোক) তার প্রতি, যে হেদায়েতের অনুসরণ করে। তারপর আমি আপনাকে ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছি। ইসলাম গ্রহণ করুন, শান্তিতে থাকবেন।

আল্লাহ আপনাকে দ্বিগুণ প্রতিদান দান করবেন। আর যদি মুখ ফিরিয়ে নেন, তবে সব প্রজার পাপই আপনার ওপর বর্তাবে।

হে আহলে কিতাব! এসো সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে এক ও অভিন্ন। তা হলো, আমরা যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করি, কোনো কিছুকেই যেন তাঁর শরিক সাব্যস্ত না করি এবং আমাদের কেউ যেন কাউকে পালনকর্তারূপে গ্রহণ না করে আল্লাহকে ত্যাগ করে।
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তোমরা বলো, তোমরা সাক্ষী থেকো, আমরা তো মুসলিম। ’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৬৪)

সূত্র : বুখারি, হাদিস : ৭

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

🚫 Note: ® [This is one of my Favorite Islamic Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.] ♥️

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

⚠ ️N.B : [All the post on this blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Bohemian's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

🔊 Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌹

📮 Posted by : © "Bohemian's Diary" (former, Dhumkeatu's Diary) || 16.06.2020 || 🇧🇩

āĻ•োāύ āĻĻেāĻļে āĻ•িāĻ­াāĻŦে āχāϏāϞাāĻŽ āĻāϏেāĻ›ে

৭১১ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন জিয়াদ সম্রাট রডারিককে পরাজিত করে স্পেন বিজয় করেন। তাঁর মাধ্যমে স্পেনে ইসলাম পৌঁছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৬৯৩ খ্রিস্টাব্দে শেখ ইউসুফের মাধ্যমে ইসলাম পৌঁছেছে।

মিয়ানমারে ৬৫০ সালে আরব ও ইয়েমেনি বণিক দলের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ইসলাম পৌঁছেছে।

রাশিয়ার ট্রান্স ককেশাসে সপ্তম শতাব্দীতেই আরব বণিকদের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ইসলাম পৌঁছে। আর ভগলা, উরালস ও মধ্য এশিয়ায় ৭৫১ খ্রিস্টাব্দে আরব বণিকদের মাধ্যমে ইসলাম পৌঁছে।

আফ্রিকার ইথিওপিয়া (প্রাচীন নাম হাবশা) ৬১০ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম পৌঁছে প্রিয় নবী (সা.)-এর যুগে। বিখ্যাত সাহাবি উসমান (রা.)-এর নেতৃত্বে একটি ক্ষুদ্র দল হাবশায় ইসলাম পৌঁছায়।

বুরুন্ডিতে ইসলামের আগমন ঘটে ১৮৯৫ সালে। পর্তুগিজ দস্যুরা যখন পূর্ব আফ্রিকার ইসলামী রাষ্ট্র মোমাসা ও জানজিবার আক্রমণ করে দখল করে নেয়, তখন ওই দেশের মুসলিমরা বুরুন্ডিতে অভিবাসী হিসেবে আগমন করে।

ব্রিটেনে ৭৫৭ সাল থেকেই মুসলমানদের পদচারণ শুরু হয়েছে।
আর King Offa (৭৫৭-৭৯৬)-এর শাসনামল ছিল মুসলিম শাসনামল।
ফিলিপাইনে ইসলামের আগমন ঘটে ১৩০০ শতাব্দীর শুরুতে।

নিউজিল্যান্ডে ১৯১০ সালে সর্বপ্রথম ভারতের গুজরাট থেকে Esup Musa নামে এক মুসলিম জীবিকার সন্ধানে যান। এর পর থেকেই সেখানে ইসলামী সমাজ গড়ে ওঠে।

আইভরি কোস্টে সপ্তম শতাব্দীতেই ইসলাম পৌঁছেছে। অন্য একদল গবেষকের মতে, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আরব বণিকদের মাধ্যমে ১৪০০ শতাব্দীতে আইভরি কোস্টে ইসলামের আগমন ঘটে।
ঘানায় ১৯০০ শতকের শুরুতে ভারত ও আফ্রিকা থেকে সর্বপ্রথম মুসলিমদের আগমন ঘটে।

যুগোস্লাভিয়ার মেসিডনিয়ায় ১৩৮১ সালে তুর্কি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ইসলামের আগমন ঘটে। অন্য একদল ঐতিহাসিক বলেন, তুর্কি সেনাবাহিনীর ২০০ বছর আগে আরবীয় গবেষকদের মাধ্যমে ইসলাম পৌঁছে।

আফ্রিকা মহাদেশের তানজানিয়া রাষ্ট্রে অষ্টম শতাব্দীতে আরব ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ইসলাম প্রবেশ করে। এরপর আরব ব্যবসায়ীরা সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

ইন্দোনেশিয়ায় ১২০০ শতাব্দীতে নৌযানে করে আরব বণিকদের সঙ্গে কয়েকজন দরবেশের আগমন ঘটে। তাঁদের মাধ্যমেই সেখানে ইসলাম পৌঁছে।

ফ্রান্সে ইসলাম পৌঁছে ৭৩২ সালে। মুসলিমরা ফ্রান্সে আগমন করে দ্রুত Arles, Narbonne, Marsellle, আরমহড়হ প্রভৃতি শহরে প্রাধান্য বিস্তার করে।

সুইজারল্যান্ডে ৯১১ সালে ইসলাম পৌঁছেছে। ইসলাম সম্পর্কে ইতিহাসে জানা যায়, মুসলিমরা ফ্রান্স, ইতালি নিয়ন্ত্রণ করে ফেলে, তখন মুসলমানরা সুইজারল্যান্ডে পা রাখেন। সর্বপ্রথম তাঁরাই সেখানে ইসলাম পৌঁছান।

পোল্যান্ডে ইসলামের আগমন ঘটে ১৩০০ শতাব্দীর মাঝামাঝি।

কোরিয়ায় রাজা হাইউন জংয়ের রাজত্বকালে ১৭তম বর্ষে এবং লিরাজ বংশের রাজা ডান জংয়ের শাসনের সপ্তম বর্ষে আরব বণিকদের মাধ্যমে ইসলামের আগমন ঘটে।

আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডায় ১৮৮৪ সালে ইসলামের আগমন ঘটে।
ইউরোপের কসোভো ও মোটাহিয়ায় ১৪ শতকে ইসলামের আগমন ঘটে।
আজারবাইজানে ইসলাম আগমন করে দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে উতবা ইবনে ফারকাদ আস-সালামির নেতৃত্বে। তিনি আজারবাইজানের প্রধান শহর তাবরিজ বিজয় করার মাধ্যমে ইসলামের সূচনা করেন।

উজবেকিস্তানে ৫৫ হিজরিতে সাইয়েদ ইবনে ওসমানের নেতৃত্বে উজবেকিস্তান বিজয় করার মাধ্যমে ইসলামের আগমন ঘটে।

ফিজিতে ইসলামের আগমন ঘটে ভারতীয় কিছু মুসলিম চাষির মাধ্যমে। ইংরেজরা তাঁদের ফিজিতে নিয়ে গিয়েছিল।

ইরানের তেহরান ও নিশাপুরে ওমর (রা.)-এর শাসনামলে বিজিত হয়ে ইসলাম পৌঁছে।

সিরিয়ার দামেস্ক ও হিমসে ইসলাম আগমন করে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে সাহাবি আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ এবং খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)-এর নেতৃত্বে বিজয় হওয়ার মাধ্যমে।

আলবেনিয়ায় ইসলাম বিভিন্ন ব্যবসায়ীর মাধ্যমে প্রথম শতাব্দীতেই পৌঁছেছে।

রাশিয়ার দাগিস্তানের বেশির ভাগ এলাকা সাহাবায়ে কেরামের যুগে বিজিত হয় এবং তখন থেকেই ইসলামের আওতাভুক্ত হয়।

রাশিয়ার দরবন্দে ইসলাম পৌঁছে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে। মুসলিমরা আরমেনিয়া ও আজারবাইজান জয় করে দরবন্দে আগমন করেন। কোনো কোনো বর্ণনা মতে, দরবন্দ বিজিত হয় সাহাবি সুরাকা ইবনে আমর (রা.)-এর নেতৃত্বে। কোনো কোনো বর্ণনায় সালমান ইবনে বারিআ (রা.)-এর নেতৃত্বে বিজিত হয়।

জাপানে ১৮৯১ সালে জনৈক জাপানি মুসলিম হওয়ার মাধ্যমে সর্বপ্রথম ইসলাম পৌঁছেছে।

চীনে সর্বপ্রথম ইসলামের আগমন ঘটে সাহাবি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের মাধ্যমে। তাঁরা সেখানে ব্যবসা করার জন্য প্রথমে গমন করেন।

লাতিন আমেরিকার পানামায় ১৯ শতকের শেষে পানামা ক্যানেল নির্মাণের সময় বাঙ্গাল এবং আরব থেকে অনেক মুসলিম এসে বসতি স্থাপন করে। তাদের মাধ্যমেই তখন ইসলাম পৌঁছায়।

উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তানের সমগ্র অঞ্চলে ইসলাম পৌঁছে দ্বিতীয় শতাব্দীতে।

ইরাকে ইসলাম পৌঁছায় ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে সাহাবি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর নেতৃত্বে বিজিত হওয়ার মাধ্যমে।

আলজেরিয়ায় ইসলাম পৌঁছে সাহাবি উকবা ইবনে নাফে (রা.)-এর নেতৃত্বে বিজিত হওয়ার মাধ্যমে।

তিউনিসিয়ায় ইসলাম পৌঁছে সাহাবি মুআবিয়া (রা.)-এর শাসনামলে সাহাবি উকবা ইবনে নাফে (রা.)-এর নেতৃত্বে বিজিত হওয়ার মাধ্যমে।
মরক্কোয় ইসলামের আগমন ঘটে সাহাবি মুআবিয়া (রা.)-এর শাসনামলে (৬৮৩ খ্রি.) সাহাবি উকবা ইবনে নাফে (রা.)-এর নেতৃত্বে বিজিত হওয়ার মাধ্যমে।

বোখারা, সমরখন্দ, খাওয়ারিজম ও ফরগনায় ৭০৫-৭১৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ওলিদ ইবনে আব্দুল মালিকের শাসনামলে সেনাপতি কুতাইবা ইবনে মুসলিমের নেতৃত্বে বিজিত হওয়ার মাধ্যমে ইসলামের সূচনা হয়।

বাংলাদেশে ওলি-আউলিয়া ও আরব বণিকদের মাধ্যমে ইসলাম প্রচারিত হয়।

© সূত্র : বিশ্বময় ইসলামের পুনর্জাগরণ
ড. কাজী নিজাম উদ্দীন

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

🚫 Note: ® [This is one of my Favorite Bangla Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.] ♥️

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

⚠ ️N.B : [All the post on this blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Bohemian's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

🔊 Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌹

📮 Posted by : © "Bohemian's Diary" (former, Dhumkeatu's Diary) || 16.06.2020 || 🇧🇩

āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§Ģ āϜুāύ, ⧍ā§Ļ⧍ā§Ļ

āφāϰāĻŦি, āĻŦাংāϞা, āχংāϰেāϜি āĻŽাāϏ āĻ“ āĻĻিāύেāϰ āύাāĻŽāĻ•āϰāĻŖেāϰ āϏংāĻ•্āώিāĻĒ্āϤ āχāϤিāĻšাāϏ

আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে নিমজ্জিত রেখেছেন, যেন তারা স্মরণ করে তার প্রভুকে। তাঁর অন্যতম নিয়ামত হলো, সময় তথা দিন-রাত, সপ্তাহ, মাস, বছর গণনার জন্য তিনি চন্দ্র ও সূর্য সৃষ্টি করেছেন। উভয়ের মাধ্যমে সন-তারিখ ঠিক করার প্রথা বহুকাল ধরে প্রচলিত। উভয়ের মাধ্যমে সন-তারিখ নির্দিষ্ট করা জায়েজ। তবে চন্দ্রের হিসাব আল্লাহর অধিকতর পছন্দনীয়। শরিয়তের আহকামের ক্ষেত্রে চন্দ্র মাসই নির্ভরযোগ্য। চন্দ্রমাসের হিসাব মতেই রোজা, হজ¦, যাকাত প্রভৃতি আদায় করতে হয়। চন্দ্রবছরের হিসাব সংরক্ষণ করা ফরজে কেফায়া। সব উম্মত এই হিসাব ভুলে গেলে সবাই গুনাহগার হবে। চাঁদের হিসাব ঠিক রেখে অন্যান্য বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করা বৈধ।

**আরবি মাসের নামকরণঃ

১. মহররম : জাহেলি যুগে এই মাসে কোনো ধরনের যুদ্ধবিগ্রহ ও রক্তপাত করা হারাম ও অবৈধ ছিল বলে এই মাসকে মুহর্রমুল হারাম নামকরণ করা হয়েছে।

২. সফর : সফর শব্দটি সিফর থেকে নির্গত। এর অর্থ শূন্য হওয়া, জাহেলি যুগে সফর মাসে লোকেরা যুদ্ধের জন্য বের হয়ে গেলে ঘর শূন্য হয়ে যেত, তাই সফরের মাসের নাম সফর রাখা হয়েছে।

৩. রবিউল আউয়াল : এই মাসের নামকরণকালে ফসলে রবি- অর্থাৎ বসন্তকাল ছিল, তাই তার নামকরণ হয়েছে রবিউল আউয়াল।

৪. রবিউস সানি : এর নামকরণকালে বসন্তের শেষার্ধে পড়ার কারণে রবিউল আখের বা শেষ বসন্ত নাম রাখা হয়।

৫. জুমাদাল উলা : জুমাদা শব্দটি এসেছে জুমুদ থেকে, যার অর্থ জমে যাওয়া, স্থবির হওয়া। যখন এই মাসের নাম রাখা হয় তখন ঠান্ডার মৌসুম আরম্ভ হয়, কেননা ঠান্ডার কারণে প্রায় জিনিস জমে যায়। এ জন্য এ মাসের নাম এভাবে রাখা হয়।

৬. জুমাদাল উখরা : এই মাসের নাম রাখার কারণ হচ্ছে, এই মাসের শেষে শীতের প্রচ-তায় পানি পর্যন্ত জমে যেত।

৭. রজব : রজব শব্দটি রজিব থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এর অর্থ হলো সম্মান করা। আরববাসী যেহেতু এ মাসকে সম্মান করত এবং শাহরুল্লাহ – অর্থাৎ আল্লাহর মাস বলত, তাই এ মাসের নাম রজব বা সম্মানিত মাস রাখা হয়।

৮. শাবান : শাবান শাব শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এর অর্থ হলো বের হওয়া, প্রকাশ হওয়া, বিদীর্ণ হওয়া। যেহেতু এ মাসে বিপুল কল্যাণ প্রকাশিত হয়, মানুষের রিজিক উৎপাদন ও বণ্টিত হয় এবং তকদিরের ফয়সালাগুলোও বণ্টন করে দেওয়া হয়। তাই এ মাসের নাম শাবান রাখা হয়েছে।

৯. রমজান : রমজান শব্দের মূল অর্থ হচ্ছে জ্বালানো-পোড়নো। যেহেতু এই মাসে মুমিনের গুনাহগুলো জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া হয়, তাই এ মাসের নাম রমজান রাখা হয়।

১০. শাওয়াল : শাওয়াল শব্দটি শাওল ধাতু থেকে নির্গত, অর্থ বাইরে গমন করা। এখানে আরববাসী নিজ ঘরবাড়ি ত্যাগ করে ভ্রমণে যেত। তাই এর নামকরণ করা হয় শাওয়াল।

১১. জিলকদ : ‘জিল’ অর্থ ওয়ালা আর ‘কাদাহ’ অর্থ বসা, যেহেতু এ মাস সম্মানিত মাসের একটি। আরবরা এ মাসে যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ করে বাড়িতে বসে থাকত।

১২. জিলহজ : জিলহজ শব্দটি সম্ভবত হাজ্জাহ থেকে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ একবার হজ করা, অথবা শব্দটি হিজ থেকে নেওয়া হয়েছে। যার অর্থ বছর। যেহেতু এই মাস বছরের শেষাংশে আসে এবং এর দ্বারাই পূর্ণ বছরের সমাপ্তি ঘটে, তাই এই মাসের নামকরণ করা হলো জিলহজ।

**বঙ্গাব্দের বারো মাসের নামকরণঃ

১. বৈশাখ- বিশাখা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
২. জ্যৈষ্ঠ-  জ্যেষ্ঠা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৩. আষাঢ়-  উত্তর ও পূর্ব আষাঢ়া নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৪. শ্রাবণ- শ্রবণা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৫. ভাদ্র- উত্তর ও পূর্ব ভাদ্রপদ নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৬. আশ্রিন- অশ্বিনী নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৭. কার্তিক-  কৃত্তিকা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৮. অগ্রহায়ণ (মার্গশীর্ষ)- মৃগশিরা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
৯. পৌষ-  পুষ্যা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
১০. মাঘ- মঘা নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
১১. ফাল্গুন- উত্তর ও পূর্ব ফাল্গুনী নক্ষত্রের নাম অনুসারে,
১২. চৈত্র- চিত্রা নক্ষত্রের নাম অনুসারে।

**বাংলা দিনের নামকরণ :

১. সোমবার হচ্ছে সোম বা শিব দেবতার নাম অনুসারে,
২. মঙ্গলবার হচ্ছে মঙ্গল গ্রহের নাম অনুসারে,
৩. বুধবার হচ্ছে বুধ গ্রহের নাম অনুসা,
৪. বৃহস্পতিবার হচ্ছে বৃহস্পতি গ্রহের নাম অনুসারে,
৫. শুক্রবার হচ্ছে শুক্র গ্রহের নাম অনুসারে,
৬. শনিবার হচ্ছে শনি গ্রহের নাম অনুসারে,
৭. রবিবার হচ্ছে রবি বা সূর্য দেবতার নাম অনুসারে।

**ইংরেজী মাসের নামকরণ

১. জানুয়ারি : রোমে ‘জানুস’ নামক এক দেবতা ছিল। রোমবাসী তাকে সূচনার দেবতা বলে মানত। যে কোন কিছু করার আগে তারা এ দেবতার নাম স্মরণ করত। তাই বছরের প্রথম নামটিও তার নামে রাখা হয়েছে।

২. ফেব্রুয়ারি : রোমান দেবতা ‘ফেব্রুস’-এর নাম অনুসারে ফেব্রুয়ারি মাসের নামকরণ করা হয়েছে।

৩. মার্চ : রোমান যুদ্ধ-দেবতা ‘মার্স’ এর নামানুসারে তারা মার্চ মাসের নামকরণ করেন।

৪. এপ্রিল : বসন্তের দ্বার খুলে দেয়াই এপ্রিলের কাজ। তাই কেউ কেউ ধারণা করেন ল্যাটিন শব্দ ‘এপিরিবি’ (যার অর্থ খুলে দেয়া) হতে এপ্রিল এসেছে।

৫. মে : রোমানদের আলোকে দেবী ‘মেইয়ার’-এর নামানুসারে মাসটির নাম রাখা হয় মে।

৬. জুন: রোমানদের নারী, চাঁদ ও শিকারের দেবী ছিলেন ‘জুনো’। তার নামেই জুনের সৃষ্টি।

৭. জুলাই : জুলিয়াস সিজারের নামানুসারে জুলাই মাসের নামকরণ। মজার ব্যাপার হচ্ছে বছরের প্রথমে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিকে স্থান দিয়ে তিনি নিজেই নিজেকে দূরে সরিয়ে দেন।

৮. আগস্ট : জুলিয়াস সিজার বছরকে ঢেলে সাজানোর পর আগস্ট মাসটি তার নিজের নামে রাখার জন্য সিনেটকে নির্দেশ দেন। সেই থেকে শুরু হয় আগস্ট মাসের পথচলা।

৯. সেপ্টেম্বর : সেপ্টেম্বর শব্দের শাব্দিক অর্থ সপ্তম মাস। কিন্তু সিজার বর্ষ পরিবর্তনের পর তা এসে দাঁড়ায় নবম মাসে। তারপর এটা কেউ পরিবর্তন করেনি।

১০. অক্টোবর : ‘অক্টোবরের’ শাব্দিক অর্থ বছরের অষ্টম মাস। সেই অষ্টম মাস আমাদের ক্যালেন্ডারের এখন স্থান পেয়েছে দশম মাসে।

১১. নবেম্বর : ‘নভেম’ শব্দের অর্থ নয়। সেই অর্থানুযায়ী তখন নবেম্বর ছিল নবম মাস। জুলিয়াস সিজারের কারণে আজ নবেম্বরের স্থান এগারতে।

১২. ডিসেম্বর : ল্যাটিন শব্দ ‘ডিসেম’ অর্থ দশম। সিজারের বর্ষ পরিবর্তনের আগে অর্থানুযায়ী এটি ছিল দশম মাস। কিন্তু আজ আমাদের কাছে এ মাসের অবস্থান ক্যালেন্ডারের শেষ প্রান্তে।

**ইংরেজি ৭ দিনের নামঃ

১.Saturday/ শনিবার : রোমান সাম্রাজ্যের আমলের লোকেরা এই বলে বিশ্বাস করত যে, চাষাবাদের জন্য ‘স্যাটান; নামের একজন দেবতা আছেন। যার হাতে আবহাওয়া ভালো খারাপ করা লেখাটি আছে। তাই তাকে সম্মান করার জন্যই তার নামে একটি গ্রহের সাথে সপ্তাহের একটি দিনের নাম স্যাটনি ডেইজ রাখা হয়েছে। যার অর্থ হচ্ছে স্যাটানের দিন। বর্তমানে তা ‘স্যাটারডে’ নামেই পরিচিত।

২. Sunday/রবিবার : অনেকদিন আগের কথা, দক্ষিণ ইউরোপের সাধারণ ‘লোকেরা বিশ্বাস করত এবং ভাবত যে একজন দেবতা রয়েছেন যিনি শুধুমাত্র আকাশে গোলাকার আলোর বল অংকন করেন। ল্যাটিন ভাষায় যাকে বলা হয় ‘সলিছ’। এর থেকেই সলিছ ডে অর্থাৎ সূর্যের দিন। উত্তর ইউরোপের লোকেরা এই দেবতাকে ডাকত ‘স্যানেল ডেইজ’ নামে। যা পরবর্তীতে বর্তমান সান ডে-তে রূপান্তরিত হয়।

৩. Monday/সোমবার : এই নামের সাথেও দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা জড়িত। রাতের বেলায় আকাশের গায়ে রূপালী বল দেখে তারা ডাকত ‘লুনা’ নামে। ল্যাটিন শব্দ লুনা ডেইস। উত্তর ইউরোপের লোকেরা ডাকত মোনান ডেইজ। এ মানডে কিন্তু মোনান ডেজ থেকে রূপান্তর হয়। ৪. মঙ্গলবার : আগেকার রোমান রাজ্যের লোকেরা বিশ্বাস করত যে, টিউ নামক একজন দেবতা আছেন যিনি যুদ্ধ দেখাশুনা করেন। তারা ভাবত যারা টিউকে আশা করত টিউ তাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করত যুদ্ধের ময়দানে এবং যারা পরলোক গমন করেছে তাদেরকে টিউ পাহাড় থেকে নেমে একদল মহিলা কর্মী নিয়ে বিশ্রামের জায়গা ঠিক করত। তারা একে ডাকত ‘ডুইস’ নামে। যার ইংরেজি অর্থ টুইস ডে।

৪, Tuesday/ মঙ্গলবার : রোমান যুদ্ধ ও আকাশের দেবতা Tiu অথবা Twia এর নামে দিনটির নামকরণ করা হয়।

৫. বুধবার : দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ‘উডেন’ বলে দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা ভাবত। তিনি সারা দিন ঘুরে জ্ঞান লাভ করতেন যার জন্য তার একটি চোখ হারাতে হয়েছিল। এই হারানো চোখকে তিনি সবসময় লম্বাটুপি দিয়ে আবৃত করে রাখতেন। দুটো পাখি উডেনের গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করত, তারা উডেনের কাঁধে বসে থাকত। রাতে তারা সারা পৃথিবীর ঘটনাবলি উডেনকে শুনাত। এভাবেই উডেন সারা পৃথিবীর খবর শুনতে সক্ষম হন। এজন্য লোকেরা নাম রাখল ওয়েডনেস ডেইস। যা বর্তমান ওয়েডনেস ডে নামে পরিচিত।

৬. বৃহস্পতিবার : বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোর সম্পর্ক না জানার ফলে মানুষ মনে করত যে, বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোর জন্য একজন দেবতা দায়ী। তারা শুধু আলো জ্বলতে ও বিদ্যুৎ চমকাতে দেখত। তারা দেবতার নাম রাখে থর। তাদের মধ্যে এই অন্ধ বিশ্বাস ছিল যে, দেবতা থর যখন রাগান্বিত হন তখন তিনি রাগে আকাশে একটা হাতুড়ি নিক্ষেপ করেন দু’টি ছাগলের গাড়িতে বসে। ছাগলের গাড়ি চাকার শব্দ হচ্ছে বজ্রপাত ও হাতুড়ির আঘাত হচ্ছে বিদ্যুৎ চমকানো। থরের প্রতি সম্মান রক্ষার্থে তারা সপ্তাহের একটি দিনের নাম রাখেন থার্স ডেইস। যাকে আজ আমরা থার্স ডে বা বৃহস্পতিবার বলে ডাকি।

৭. শুক্রবার : ওডিন একজন শক্তিশালী দেবতা। তার স্ত্রী দেবী ফ্রিগ ছিলেন ভদ্র এবং সুন্দরী। ওডিনের পাশে সব সময় তার স্ত্রী থাকতেন। পৃথিবীকে দেখতেন, প্রকৃতিকে উপভোগ করতেন, প্রকৃতির দেবী ভালোবাসা ও বিবাহের দেবীও ছিলেন ফ্রিগ। এই জন্য লোকেরা বাকি একটি দিনের নাম ‘ফ্রিগ ডেইজ’ বা ফ্রাইডে রাখেন।

© ফোকাস মোহনা।

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

🚫 Note: ® [This is one of my Favorite Bangla Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.] ♥️

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

⚠ ️N.B : [All the post on this blog "Bohemian's Diary" (former, Dnumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Bohemian's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

🔊 Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌹

📮 Posted by : © "Bohemian's Diary" (former, Dhumkeatu's Diary) || 05.06.2020 || 🇧🇩

āĻĒ্āϰি⧟ āĻ—াāύেāϰ āϏংāĻ•্āώিāĻĒ্āϤ āϤাāϞিāĻ•া...

**āĻĒ্āϰি⧟ āĻ—াāύেāϰ āϏংāĻ•্āώিāĻĒ্āϤ āϤাāϞিāĻ•া... ā§§) āĻŽāύ āĻļুāϧু āĻŽāĻŽ āĻ›ুঁ⧟েāĻ›ে- āϏোāϞāϏ ⧍)āύিঃāϏ্āĻŦ āĻ•āϰেāĻ› āφāĻŽা⧟ - āĻļাāĻĢিāύ ā§Š)āĻĢিāϰি⧟ে āĻĻাāĻ“- āĻŽাāχāϞāϏ ā§Ē)āĻļ্āϰাāĻŦāύেāϰ āĻŽেāϘāĻ—ু...