āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āϜুāύ, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

āĻŦিāĻļ্āĻŦেāϰ āĻ•িāĻ›ু āĻĻেāĻļে ⧍⧝ āĻĢেāĻŦ্āϰু⧟াāϰি āĻŦ্āϝাāϚেāϞāϰ āĻĄে āĻŦা āϏিāĻ™্āĻ—েāϞ āĻĄে āĻšিāϏেāĻŦে āĻĒাāϞিāϤ āĻšā§Ÿ

"Celebrating Bachelor/Single  Life..." (29Feb)

★★★. "ব্যাচেলর নিয়ে কে কী ভাবছেন......"

"বিশ্বের কিছু দেশে ২৯ ফেব্রুয়ারি ব্যাচেলর ডে
বা সিঙ্গেল ডে হিসেবে পালিত হয়। সে
উপলক্ষেই এই অনুসন্ধানী ফিচার।

*.গবেষক : একজন ব্যাচেলরের সফলভাবে প্রেম চালিয়ে
যাওয়ার সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো সে আর
ব্যাচেলর থাকে না।
*.শিক্ষক : একজন ব্যাচেলরের বয়স তার মানের
ব্যস্তানুপাতিক, বয়স যত বাড়তে থাকে মান তত
কমতে থাকে।
*.চিকিৎসক : প্রকৃতিগতভাবে একজন ব্যাচেলরের
চুল পাকতে পারে, এতে বয়সের সম্পূর্ণ বা
আংশিক কোনো সম্পর্ক নেই।
*.প্রকৌশলী : ব্যাচেলরদের ক্যারেক্টারস্টিকস-
কার্ভ অনেক হাইয়ে থাকে, তা কখনো হয়তো নষ্ট
হতে পারে কিন্তু কখনো লো হবে না, এটা
গ্যারান্টি।
*.অফিসের বস : একজন ব্যাচেলরের অফিসে
খাওয়ার কোনো লাঞ্চ বক্স নেই; কারণ খালি
লাঞ্চ বক্স দিয়ে সে কী করবে?
*.ব্যাচেলর সাহিত্যিক : আমার বাপ-দাদাও একসময়
ব্যাচেলর ছিলেন, এটা আমার জন্য দারুণ
গৌরবের। আমার পরবর্তী বইয়ের নাম একজন
ব্যাচেলরের ৩০ বছর।
*.রাজনৈতিক নেতা : আমি একদিন ব্যাচেলরদের
জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্র খুলব, আমি তাদের দুইবেলা
ভাত, তিনবেলা নাশতা খেতে দেব।
ব্যাচেলররাও তাদের অধিকার নিয়ে যুগ যুগ ধরে
সমাজে বেঁচে থাকবে। আর বিয়ের পরও যারা
ব্যাচেলর সেজে মজা নিচ্ছে এবং নিজেদের
বিবাহিত-ব্যাচেলর প্রমাণ করার চেষ্টা করছে,
তাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ
জানাচ্ছি। এবং এর সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত ও
বিচারেরও জোর দাবি জানাচ্ছি।
*.মানবাধিকার কর্মী :
ব্যাচেলরকে ভালোবাসুন, সময় দিন, কাছে টানুন,
বিশ্বাস করুন। এরপর আর তারা ব্যাচেলর থাকবে না।
*.বাড়িওয়ালা : ব্যাচেলরদের কাছে আমি
বাড়িভাড়া দিতে চাই না। কারণ আমিও একসময়
ব্যাচেলর ছিলাম এবং আমি জানি ব্যাচেলর কী জিনিস!
*.ব্যাচেলর ভাড়াটে : আমি একজন গর্বিত
ব্যাচেলর। কারণ বাড়িওয়ালার
বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বিয়ের উপযুক্ত মেয়ে থাকা
সত্ত্বেও আমাকে বাড়িভাড়া দিয়েছেন।
*.বিবাহিত ব্যাচেলর : যে জীবন থেকে একবার
পালিয়ে গেলে আর ফিরে যাওয়া যায় না,
সেটাই ব্যাচেলর জীবন।

★. Source : "প্রথমআলো >রস+আলো ⁄ সংবাদ>যাপিত রস
ব্যাচেলর নিয়ে কে কী ভাবছেন (২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬)।

★★★. " ব্যাচেলর নিয়মাবলি......."

*. ঘরের চেয়ার বা সোফা ধরনের যেকোনো কিছু হলো
আলনা। দরজার ওপরের কোনাও আলনা। খাটে স্ট্যান্ড
থাকলে সেটাও আলনা।
*. মশারির চার কোনার মধ্যে দুই কোনা জীবনে একবারই
লাগাতে হয়। বাকি দুই কোনা খোলা হলেও ওই দুই কোনা
আজীবন লাগানোই থাকবে।
*. চায়ের কাপ বা বোতলের ক্যাপ ধরনের যেকোনো
কিছু হলো অ্যাশ-ট্রে। ফুলের টবও অ্যাশ-ট্রে।
*. কোনো কাপড় মেঝেতে পড়ে গেলে সেটা
তাৎক্ষণিকভাবে ন্যাকড়ায় পরিণত হবে। পরে বুয়া বা
অন্য কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করলে
জানা যাবে সেটা পরিধানযোগ্য কাপড় ছিল।
*. পানি যদি বোতলে ভর্তি করে খাটের পাশেই রাখা
থাকে, তাহলে পানির তেষ্টা পেয়েছে বলে ধরে
নেওয়া যাবে। যদি পানি আনতে অন্য ঘরে যাওয়ার
প্রয়োজন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে পানির তেষ্টা পায়নি।
*. বাথরুম ছাড়া সব রকম কাজ খাটেই করা সম্ভব। এ জন্য
নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু বিছানার আশপাশেই রাখতে হবে।
*. দেশের জাতীয় খেলা হাডুডু হলেও ব্যাচেলরদের
জাতীয় খেলা টোয়েন্টি নাইন। যে জন টোয়েন্টি
নাইন জানে না, তার সঙ্গে কোনো লেনাদেনা নাই!
*. টুথব্রাশ ও অন্তর্বাস ছাড়া বাকি যেকোনো কিছু
একজনের থাকলেই অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে।
সর্বজনীনতার এ তালিকায় সবার ওপরে অবস্থান লুঙ্গির।
তারপর স্যান্ডেল, গামছা ইত্যাদি ইত্যাদি।
*. খাওয়ার পর এঁটো প্লেট রান্নাঘরে রেখে আসা
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিশ্রমের কাজ। এঁটো প্লেট এবং
অন্যান্য তরকারির বাটি রাখার আদর্শ জায়গা খাটের
পাশে অবস্থিত টেবিল।
*. প্রতিটি ব্যাচেলর রুমে কেউ বাজাক না বাজাক, একটা
গিটার থাকা আবশ্যক। এটা বেশির ভাগ সময়ই প্রোফাইল
পিকচার তোলার সময় ভাব নেওয়ার সরঞ্জাম, পেপার
ওয়েট, শোপিস ইত্যাদি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
*. পারফিউম, বডি স্প্রে—এমন যেকোনো
কিছু মানেই হলো এয়ার ফ্রেশনার। সাধারণত সোফার
নিচে মাস খানেক ধরে পড়ে থাকা কাপড়চোপড়
পরিধানযোগ্য করার জন্য তা প্রয়োজন হয়।

★. Source : "প্রথমআলো> রস+আলো ⁄ সংবাদ>যাপিত রস"
"ব্যাচেলর নিয়মাবলি - লেখা: সামিউল আজিজ | ১০ আগস্ট, ২০১৫।

★★★. "হায়রে ব্যাচেলর জীবন......!!!"

"ব্যাচেলর বাসায় যারা থাকে তারা প্রত্যেকেই
নিঃসন্দেহে একেকজন মহাপুরুষ, তাদের জীবনযাত্রা
অন্যরকম, দুনিয়াদারির নিয়মে তারা চলে না, চলতে পারেনা।
মহাপুরুষদের বাসার ভিতরটা খুব অদ্ভুত, ঘরের
যে জিনিসটা যেখানে থাকার কথা সেখানে তা
থাকেনা, থাকে অন্য জায়গায়। আমি একটা ব্যাচেলর
বাসায় দেখেছি, মশারি টাঙ্গানোর দড়ি হিসেবে
সম্পূর্ণ মাউসটাই (কম্পিউটারের মাউস) ব্যবহার করা
হচ্ছে। চিন্তা করা যায়? ব্যাপারটা এমন, ‘মশারি
টাঙাবি? দড়ি পাচ্ছিসনা? আমার মাউসটা নষ্ট, দে
টাঙিয়ে।’ সেই যে একবার টাঙানো হল, এরপর কখনো
দড়ি পাওয়া গেলেও সেই মাউসটা খুলে আর দড়ি
লাগানো হলো না। কে করে এত কষ্ট! কি দরকার?
ভালোইতো চলছে! আরেক জায়গায়, সবাই একসাথে চা
খাবে, একটা কাপ কম পড়েছে। একজন বললো, ‘এটা কোন
সমস্যাই না, বডি স্প্রের ঢাকনাটা খুলে ধুয়ে নে, তারপর
চা ঢাল, খেয়ে ফেলে। তুই ঢাকনায় না খেলে আমাকে
দে। আরে খেলেই হল। চিয়ার্স!’ চা খাওয়ার সময়ও ওরা
চিয়ার্স বলে কাপে কাপে বাড়ি খাওয়ায়। এগুলোতো
ওদের কাছে মামুলী ব্যাপার, কেউ অবাক হয়না, খুশিমনে
কাপ বাড়িয়ে দিয়ে ওরা চিয়ার্স বলে। ওরাতো
মহাপুরুষ। মহপুরুষদের সবকিছুই একটু অন্যরকম।
তাছাড়া ওদেরতো কিছু নিজস্ব স্টাইল থাকবেই! সবাই বসে ভাত
খাবে, সাথে অতিথি আছে একজন। প্লেট কম পড়েছে
একটা। এটাও কোন ব্যাপার না। একজন বলে উঠলো,
‘দোস্ত আয় তুই আর আমি এক প্লেটে খাই। তুই প্লেটের
ঐপাশ থেকে খা, আমি এপাশ থেকে খাই। ঝামেলা
কিসের, আমরা আমরাইতো!’ আমি জানি, নিজের বাসায়
যে ছেলেটা এক গ্লাস পানিও ঢেলে খায়না, নবাবী
হালে জীবন কাটায় সেও ব্যাচেলর বাসায় থাকতে এসে
কাজের ছেলে হয়ে যায়। বুয়া না আসলে রেঁধে খায়,
প্লেট ধোয়, বোতলে পানি ভরে, আরো কত কি করে!
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় সে নিজের কাপড় নিজেই ধোয়,
বিছানা করে, মশারি টাঙায়! বাহ! আমি জানি, এইসব
বিষয়গুলো ব্যাচেলর বাসায় থাকা ছেলেগুলোর বাবা মা
একবার যদি নিজ চোখে দেখতেন, তারা স্পটেই চোখের
পানি ফেলতেন। চোখে পানি ঠোঁটে হাসি মেখে তারা
ভাবতেন, ‘এটা কি আমার ছেলে? কিভাবে সম্ভব!’ অবশ্যই
সম্ভব, মহাপুরুষরা নিজের কাজ নিজেই করে, ওরা কারো
জন্য বসে থাকেনা। অবাক হওয়ার কিছু নেই।
ব্যাচেলর জীবন কষ্টের কিন্তু অন্যরকম একটা মজা আছে এই
জীবনে। বিভিন্ন পরিবারের কয়েকজন একসাথে হয়ে কি
অদ্ভুত ভাবে একটা পরিবার গঠন করে ফেলে! এই
পরিবারেও মায়া আছে, ভালবাসা আছে, রাগ ক্রোধ
ঝগড়া সবই আছে। ভুল বোঝাবুঝিও আছে। আবার কিছুক্ষণ
পরেই মিলেমিশে থাকাও আছে। কেউ অসুস্হ হলে তার
জন্যে সেবাও আছে। থাকবেইবা না কেন? ওরাতো
প্রত্যেকেই আলাদা আলাদাভাবে একেকজন খাঁটি
মহাপুরুষ, মহাপুরুষরা এমনই হয়।
উত্সর্গঃ ব্যাচেলর বাসায় জীবন কাটানো প্রত্যেকটা মহাপুরুষকে।

★. Source : WomenExpress.net

★★★. " ব্যাচেলর কাকে বলে? "

★. উত্তর :
*.সুমনা-গুরু I ১৩ নভ. ২০১৩
যে সব মানুষদের বাড়িয়ালা বাসা ভাড়া দিতে চায়
না,তাদের কে সংক্ষেপে ব্যাচেলর বলে। :P
*.Selim Reja-জ্ঞানী I ৯ নভ. ২০১৩
Bachelor:
A bachelor is a man who is neither married nor
cohabitating and who lives independently outside of his
parents' home or other institutional setting. (Pitt, Richard
and Elizabeth Borland. 2008. "Bachelorhood and Men's
Attitudes about Gender Roles" The Journal of Men's
Studies 16:140–158)
bach·e·lor
1. একটি অবিবাহিত মানুষ.
2. একটি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পাঠ্যক্রম
সম্পন্ন এবং যিনি একজন ব্যক্তি একটি স্নাতক ডিগ্রি
ঝুলিতে.
3. বিশেষ করে প্রজনন ঋতুতে, বয়স্ক পুরুষদের দ্বারা
প্রজনন অঞ্চল থেকে রাখা একটি অল্প বয়স্ক পুরুষ পশম
সীল সময় সঙ্গী নেই, এমন কোনো পুরুষ পশু.
4. সামন্ততান্ত্রিক বার অন্য নাইট কর্মে একটি অল্প
বয়স্ক নাইট.

( www.thefreedictionary.com/bachelor)
bachelor (noun)
1. a man who is not and has never been married:one of the
country’s most eligible bachelors
Zoology a male bird or mammal prevented from breeding
by a dominant male.
2. a person who holds a first degree from a university or
other academic institution (only in titles or set
expressions):a Bachelor of Arts
3. Canadian a bachelor apartment: it’s just one room, a
bachelor
4.  historical a young knight serving under another’s banner.
See also knight bachelor.
[said to be from French bas chevalier, literally 'low
knight' (i.e. knight of a low order)]
( http://www.oxforddictionaries.com/definition/english/
bachelor)
bachelor = অবিবাহিত পুরুষ , কুমার , আইবুড়ো ছেলে ,
স্নাতক উপাধি , স্নাতক ( http://www.bdword.com/english-to-bengali-dictionary-meaning-of-bachelor)
The origins of bachelor are unclear, but some similar Latin
words are baccalāris (“farm hand”), baccalārium (“dairy
farm”), and bacca (“cow”). Maybe some bachelors spent a
lot of time milking cows before getting married in the olden
days. The phrase “eligible bachelor” means a guy who
would make a great husband, and the phrase “confirmed
bachelor” describes a man who is having so much fun
being single that he’ll probably never marry. Either way,
pronounce it like this: BATCH-uh-lur.( www.vocabulary.com)

*.অমল আহমেদ-মহাগুরু I ২৪ ডিসে. ২০১৩
ম্যাসে থাকতে থাকতে আর ডিম ভাজি খেতে খেতে
যাদের জীবন অতিষ্ট তাদেরকে ব্যাচেলর বলে।
*.সূর্য চৌধরী-জ্ঞানী I ২৪ ডিসে. ২০১৩
আমরা ব্যাচেলর ছাত্র যদিও অনাত্মীয় অনাদরে
লালিত যদিও জীবন দুঃখ কষ্ট বিরহ ব্যথা যুক্ত তবে
আমরা মুক্ত স্বাধীন| যে যার নিজের মত| যদিও আমরা
অবহেলিত তবে অবহেলার কোন উদ্দীপনা আমাদের
স্পর্শ থেকে বিরত| স্বনির্ভরতা সহনশীলতা সহমর্মিতা
ভ্রাতৃত্ববোধ কাকে বলে ব্যাচেলর জীবন থেকে শিখি
ধীরে ধীরে আত্বনির্ভরশীল হয়ে গড়ে উঠি| আমরা
ব্যাচেলর আবদ্ধ একটি ঘরে প্রত্যেকে আমরা সবার
তরে আপন ভাইয়ের মত আমাদের বসবাস তবে পাশের
ঘরের অনেক মা আমাদের আপন করতে পারেনা ভুলেও
কখনো তার সন্তানের মত ভাবেনা| বারবার আমাদের
নিয়ে শংকিত অথচ তার প্রতি অবিরাম শ্রদ্ধা
নিবেদিত তবুও তার কাছে আমরা অনাদৃত আমরা নাকি
পরিবেশ করি দূষিত| জমিদারের কোষাগারে জমা
পড়ে অবিরাম অবজ্ঞা নিগ্রহ সে ঘোষনা করে
বিদ্রোহ আমরা হয়ে উঠি বিদ্রোহী কখনো হেরে যাই
কখনো জিতি, কখন কাঁধে বস্তা নিয়ে ছুটে যাই নতুন
ঠিকানায়| কখনো পুরাতনকে আঁকড়ে ধরি| ইহাই
ব্যাচেলর জীবন ইহাই ব্যাচেলর নীতি| -
*.সেলিম রেজা-গুরু I ২৩ ডিসে. ২০১৩
বিয়ের আগের জীবনকে ব্যচেলর বলে |
*.আমির ইশতিয়াক-বিশারদ I ৯ নভ. ২০১৩
একা জীবন যাপন করাকে ব্যাচেলর বলে।
*.Abu Sayeed Mohammed Shohel-জ্ঞানী I ১০ নভ. ২০১৩
শুরুতে বলব ব্যাচেলর একটি সাময়িক পদবী.চটপট করেই
যদি উত্তর টা দিয়ে ফেলি তাহলে বলব সাধারণত
বিয়ের আগ পর্যন্ত সময়টাকে ব্যাচেলর বলা হয়.আবার
যখন বিয়ের পরেও কোনো নারী বা পুরুষ জীবিকা
নির্বাহের তাগিদে কিংবা পড়াশুনার জন্য যখন বউ
ছাড়া স্বামী কিংবা স্বামী ছাড়া বউ একা একা
জীবন-যাপন করে তখন ও কিন্তূ ব্যাচেলর হিসাবে গণ্য
করা হয়.

★. Source : Beshto.com

★★★. " বিষয় যখন ব্যাচেলর "

★. " ব্যাচেলর জীবনে সবচেয়ে বেশি মানুষের সাথে পরিচয়
হয় এবং সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। মেসমেম্বারেরা আপন হয়ে
যায় খুব সহজেই। তাদের সাথে যে সম্পর্ক তৈরি হয় তা
কিন্তু অত্যন্ত দামী। হয়ত এই ব্যাচেলর না থাকলে
তাদের সাথে দেখাই হোতোনা, পরিচয় তো দূর অস্ত।
নিজের কথাই বলি। আমার সহবোর্ডারদের বেশির
ভাগের সাথেই ভাল সম্পর্ক আছে আমার। আমি তাদের
থেকে অনেক হেল্প পেয়েছি যার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করবার সামর্থ্য আমার নাই। আপন ভাইয়ের চেয়েও বেশি
স্নেহ পেয়েছি এঁদের কাছ থেকে।
একটা বিষয় সবসময় শিখেছি একেক মায়ের পেটের
সন্তান আমরা একসাথে থাকছি এই ইট কাঠের শহরে।
বিপদে আপদে আমরাই আগে থাকব সহায়তার হাত
বাড়িয়ে। এই ভাবনা থেকেই কখন যে আপনের চেয়ে
বেশি আপন হয়ে উঠেছি তা বলতেও পারিনা। এখন
অনেকে অনেক ভাল জায়গায় আছে। মনে নাও রাখতে
পারে আমাদের। তবুও মনে করে। ফোনকল দেয়। এটাই তো
প্রাপ্তি, বিশাল প্রাপ্তি।

★. ব্যাচেলর বাসা ভাড়া পাওয়া আর ঈদের চাঁদ দেখা দুই-
ই বুঝি সমান আনন্দের। তবে, এই উৎকন্ঠার মাঝেও
আলাদা আনন্দ আছে। অনেক কষ্টের পরে পাওয়া একটু
সুখ কতখানি দামী তা মানুষমাত্রেই জানা থাকার
কথা।
★. ব্যাচেলর জীবনে সবচেয়ে আনন্দের দিন কোনটা?
ভাবতে বসেছিলাম এই ইস্যু নিয়ে। অনেক ভেবে বের হল
প্রতিটা দিন ই তো আনন্দের এবং শিক্ষনীয়।
যেমন
* সকালে প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেবার চাপে দরজার
এপারে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। ধৈর্যের এক বড়সড়
পরীক্ষা হয়ে যায় এতে।
* বুয়া না এলে সবাই মিলে রান্নার আয়োজন করা। এতে
রান্নার উন্নতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব
বৃদ্ধি পায়।
* তাস খেলার প্রাথমিক প্রশিক্ষন তো এই প্রতিষ্ঠান
(মেস) থেকে পায় ছেলেরা। প্রাথমিক থেকে পিএইচডি
সব এখানেই।
আরও কত কি... বাকিগুলা আপনারা কমেন্টে লিখে
জানান।
★. দুঃখ হইল বাংলা বছরের প্রথম দিনেই বাসায় বুয়ার না
আসা। আর ব্যাচেলরিও স্টাইলে ভাত রান্না করতে
গিয়া হাত পুড়ায়া ফেলা।
★. তাস খেলা ব্যাচেলরদের আনন্দঘন সময় কাটানোর
একটা মহান উপায়। আমি ল্যাপ্পি তে বসা সামনে ৪ জন
২৯ খেলছে মনের আনন্দে... আহা দেখেও সুখ। গোলাম,
নক্কা, টেক্কা আর দশ কড়ার খেলায় মুগ্ধ সবাই।
★. ব্যাচেলর বাসা থেকে মাঝে মাঝে দুই একজন বোর্ডার
চলে গেলে বাকি বোর্ডারদের মধ্যে নতুন বোর্ডার
খোঁজার হিড়িক পড়ে যায়। কেউ বা নিজেদের পরিচিত
সার্কেলের মধ্যে খোঁজে, কেউ ১০/১২ জন অফিসার
লাগিয়ে রুমমেট খোঁজে। তবে সবচেয়ে কার্যকর উপায়
বুঝি লিফলেট সাঁটানো। কাজটা দুর্দান্ত মজার। কাল
রাতে যখন লিফ্লেট লাগাতে রাস্তায় বেরোলাম
রাস্তার ওপাশে থাকা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা
ঝাড়া ২ মিনিট আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিল কি
করছি তা বুঝতে। হাসি পেল আবার দুঃখও হল
ব্যাপারটা দেখে।
★. ব্যাচেলর লাইফে সবচেয়ে মজার ব্যাপারটা হল
স্বাধীনতা। স্বাধীনতার পতাকা উড়িয়ে চলা যায়। তবে
পায়ে কিছু শেকল ও থাকে। আর থাকে কিছু দুষ্টুমিভরা
প্রতিযোগীতা। যেমন টানা ৮ মাসের কমখরুচে
বাজারের যে সুনাম পেয়েছিলাম তা এইমাসে দুইজনের
কাছে হারাতে হল।
দুঃখজনক। বড়ই দুঃখজনক।

★. –_- ব্যাচেলর লাইফ –_–

১. উপর দিয়ে যতই ফিটফাট থাকুন না কেন,
প্রত্যেক ব্যাচেলরের বিছানার উপর দেখবেন,লুঙ্গি গোল
করে পড়া আছে। লুঙ্গি চেন্জ করে প্যান্ট পড়ার পর,লুঙ্গি গুছিয়ে রাখার
মত পর্যাপ্ত সময় ব্যাচেলরদের হাতে থাকে না!
তাছাড়া, আরেকটা সুবিধা হচ্ছে,বাইরে থেকে এসেই আবার সেই "গোল করা"
লুঙ্গির ভিতর ঢুকে পড়া যায়! ইটস সিম্পল!
২. ব্যাচেলর সাহেবদের শার্ট, টিশার্ট থাকবে ঝকঝকে।
কিন্তু প্যান্ট! একমাস ধরে একই জিন্স প্যান্টের উপর অত্যাচার চলে।
দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলে,সেন্ট মারলে ঝামেলা শেষ। দারুণ!
৩. ধরুন, মেস বা হোস্টেলের একজনের ভাইভা আছে কিংবা "বা
সাথে ১ম সাক্ষাত করতে যাবেন! ব্যাস,ধার করার হিড়িকপড়ে যাবে। নিজের ভালো ড্রেস থাকা সত্বেও অমুকের প্যান্ট,তমুকের শার্ট,
আরেকজনের সু ধার করে নিয়ে যাবেনই।
৪. মেসে যদি বুয়া না আসে,সেদিন লঙ্কাকান্ড হয়।
নিজেরাই তখন কুক।কেউ হয়ত পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে চোখের
জলে বুক ভাসাবেন,আরেকজন আলু কাটতে গিয়ে নিজের
আঙ্গুল কাটবেন, আরেকজন হয়ত গরম পাতিলে হাত পূড়বেন।
অবশেষে যুদ্ধ জয়। স্বাদ যেমনই হোক,সবাই বলবে, উফফ দারুণ হইছে।
৫. পত্রিকা নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই।
কিন্তু একজন পত্রিকা পড়া শুরুকরলে সবার তখন আগ্রহ বেড়ে যায়।
টানাটানি শুরু হয়।
৬. বাইরে থেকে কেউ মেসে/হোস্টেলে আসলে খুবই অবাক হবেন। রাত বারোটার পর, কিসের যেন গুণগুণ শব্দ! খেয়াল করলে দেখা যাবে,সবার কানে মোবাইল ফোন।
যদি রুমমেটদের গুণগুণানির অভ্যাস না থাকে,
তবে রুমের "রোমান্টিক বেচারা"কে অনেক কষ্ট করতে হয়।
প্রচন্ড শীতেও মোবাইল কানে নিয়ে ছাদে কিংবা চলে যেতে হয়! আহ! কষ্ট!
৭. মেসে/হোস্টেলে লাইট অফকরা নিয়ে কমন ঝামেলা বাধে, ঝগড়াও হয়। কেউ হয়ত তারাতারি ঘুমিয়ে যান।
লাইট জালানো থাকলে তার ঘুম আসে না।
রুমমেটের গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার অভ্যাস।
কি আর করা!
৮. মহামতি ব্যাচেলররা টা করতে অসাধারণ দক্ষ।
"দোস্ত! খুব ইমার্জেন্ছী। ১০০ টাকা দে।
আগামীকালকে দিয়ে দে ধারকারী এবং ধারদাতা উভয়েই জানেন, এই আগামীকাল হয়ত ১৫ দিনেও আসবে না। তবুও ধার দিতে হয়।
৯. একজনের হয়ত বার্থডে। সবাই তাকে বাঁশ দেওয়ার চেষ্টা করবে। "দোস্ত! তোর বার্থডে পার্টির আশায়, সারা বছর ওয়েট করি।
খাওয়া, খাওয়া।"
১০.যদি কেউ কোন বিপদে পড়ে, এক্সিডেন্টের শিকার হয়
কিংবা কারো আত্মীয় স্বজন মারা যায়,
সহপাঠিদের মাঝেও নেমে আসে শোকের ছায়া।
হাসি কান্না আনন্দ বেদনা ঝগড়া খুনসুটি নিয়ে ব্যাচেলরদেরমেস/ হোস্টেল জীবন।
একটা সময় এই জীবনের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু সুমধুর স্মৃতি গুলো কি ভোলা যায়? সত্যিই জীবনের এক মধুরতম সময় এই ব্যাচেলর লাইফ...(!)

★. Source : "FB: নির্যাতিত ব্যাচেলর সমাজ"

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

** Note: ® [This is one of my Favorite Bangla Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog (Dhumkeatu's Diary - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.]

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

*** N.B : [All the post on this blog (Dhumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Dhumkeatu's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

*** Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌷🙏🌷

*** Posted by : © "Dhumkeatu's Diary" || 25.06.2018 || 🇧🇩

āϜিāύāϏ āĻĒ্āϝাāύ্āϟ āĻĒ্āϰāϏ্āϤুāϤāĻ•াāϰী āĻĒ্āϰāϤিāώ্āĻ াāύেāϰ āĻ•াāĻ›ে āĻ–োāϞা āϚিāĻ ি

" প্রিয় জিনস প্যান্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান,

আপনাদের কাছে আমাদের মতো ব্যাচেলরদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। জিনস প্যান্টই একমাত্র পোশাক, যা প্রতিদিন পরলেও বোঝা যায় না যে একই পোশাক পরে আছি। বড় সুবিধা হচ্ছে, এক ধোয়ায় এক মাস, কমপক্ষে! অনার্সে ভর্তি হয়ে একবার কিনলে মোটামুটি পড়াশোনা শেষ পর্যন্ত চালানো যায়। এক-আধটু ছিঁড়ে গেলে বরং চালিয়ে নেওয়া যায় নতুন ফ্যাশন হিসেবে।

এত এত সুবিধার পরও আজকাল আপনাদের বানানো প্যান্ট নিয়ে ঝামেলায় আছি। নিজের স্মার্টনেসে ঘাটতি যতই থাকুক, মোবাইল ফোন তো স্মার্ট হতেই হয়। এখনকার স্মার্টফোনগুলো সাইজে এত বড় হয় যে আপনাদের তৈরি প্যান্টের পকেটে ঠিকমতো ঢোকানো যায় না। চেপেচুপে ঢোকানো গেলেও ঠিকমতো বসা যায় না। তাই পকেট বিষয়ে আপনাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দয়া করে পকেটের সাইজ আরেকটু বড় করুন।

স্মার্টফোন থাকার পরও অনেকে আবার আনস্মার্ট একটা ফোন সঙ্গে রাখেন। সে জন্য তার নিচে ছোট আরও একটা পকেট রাখুন। বাঁ পাশেরটা একই সাইজের না করে আরও বড় করে দেবেন, যাতে যাঁদের ট্যাব আছে, কষ্ট করে হাতে করে না ঘুরে পকেটে রাখা যায়। বড় পকেটের সঙ্গে আরও একটা প্রমাণ সাইজের ছোট পকেট রাখুন, যাতে সেখানে আমরা পাওয়ার ব্যাংক রাখতে পারি। পুরো দেশ ও জাতি ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে, এমতাবস্থায় জিনসের প্যান্টও সেই সঙ্গে এগিয়ে যাক, এই আমাদের কামনা।

ইতি
ব্যাচেলর গোষ্ঠী

★. Source : "প্রথমআলো >"রস+আলো" > যাপিত রস>
" জিনস প্যান্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে খোলা চিঠি "
লেখা: রিফাত-উল-হুদা | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

News Link : http://m.prothom-alo.com/roshalo/article/770137/

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

** Note: ® [This is one of my Favorite Bangla Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog (Dhumkeatu's Diary - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.]

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

*** N.B : [All the post on this blog (Dhumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Dhumkeatu's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

*** Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌷🙏🌷

*** Posted by : © "Dhumkeatu's Diary" || 25.06.2018 || 🇧🇩

'āϰুāĻĻ্āϰ āĻŽুāĻšāĻŽ্āĻŽāĻĻ āĻļāĻšিāĻĻুāϞ্āϞাāĻš'- āĻāϰ āĻŽৃāϤ্āϝুāϰ āĻĒāϰ āϤাāϰ āωāĻĻ্āĻĻেāĻļ্āϝে 'āϤāϏāϞিāĻŽা āύাāϏāϰিāύ'- āĻāϰ āϞেāĻ–া āϚিāĻ ি

★. [এই লেখাটা "রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর" মৃত্যুর পর তার
উদ্দেশ্যে "তসলিমা নাসরিন" লিখেছেন, যা তার
একমাত্র গল্পগ্রন্থ 'দুঃখবতী মেয়ে' তে প্রকাশিত হয়।
পরবর্তীতে 'শিমুল মুস্তাফা' সেটাকে কাঁটছাঁট করে
আবৃত্তি করেন. . .
যা অনেকের কাছেই চিঠি বা কবিতা হিসেবে পরিচিত। এখানে মূল লেখার পুরোটা .. ]

"ভাল নেই, ভাল থেকো"
____তসলিমা নাসরিন

প্রিয় রুদ্র,
প্রযত্নে আকাশ
তুমি আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলেছিলে। তুমি
কি এখন আকাশ জুড়ে থাকো? তুমি কি আকাশে উড়ে
বেড়াও তুলোর মত? পাখির মত? আমারও খুব পাখি হতে
ইচ্ছে করে। আমারও সারা আকাশ উড়ে উড়ে মেঘের
সঙ্গে খেলতে ইচ্ছে করে।

ছোটবেলায় ছাদে উঠে আকাশ দেখতাম খুব। রাতে তারা গুণতাম। সবাই আমাকে পাগল বলত, বলত পাগল ছাড়া আর কেউ তারা গোণে না।
আমি যে কেন রাতভর তারা গুণতাম, বুঝি না। মাঝে
মাঝে এত ঘোরের মধ্যে থাকতাম যে আকাশের দিকে
হাত বাড়িয়ে দিতাম, যেন নাগাল পাওয়া যাবে, যেন
আমি স্পর্শ করলেই নক্ষত্রগুলো ফুলের পাপড়ির মত আমার
হাতে ঝরে পড়বে। এখনও ফাঁক পেলেই আকাশ দেখি।
জানালার কাছে বিছানা পেতেছি। লেখার টেবিলটি
এমন জায়গায় রেখেছি যেন আকাশ দেখা যায়। বাড়িতে
গাছপালার ডাল ছড়ালে ছেঁটে দিই যেন আকাশ আবার
ঢেকে না যায়।

তুমি এই জগৎ সংসার ছেড়ে আকাশে চলে
গেছ, তুমি আসলে বেঁচেই গেছ রুদ্র। আমরা যারা জলে
ডাঙায় পড়ে আছি, তাদের যন্ত্রণা কিন্তু কম নয়। বেঁচে
থেকে তুমিও তো যন্ত্রণা কম পোহাওনি।
আচ্ছা, তোমার কি এরকম ইচ্ছে হয় না আবার একদিন
পাখি হয়ে উড়ে উড়ে ফিরে আসতে, যেখানে ছিলে
সেখানে, সেই ইন্দিরা রোডের বাড়িতে, আবার সেই
নীলক্ষেত, শাহবাগ, পরীবাগ, লালবাগ চষে বেড়াতে?
ইচ্ছে তোমার হয় না – এ আমি বিশ্বাস করি না। ইচ্ছে
ঠিকই হয়। পারো না। অথচ একসময় যা ইচ্ছে হত তোমার,
তাই করতে। ইচ্ছে যদি হত সারারাত না ঘুমিয়ে গল্প
করতে, করতে। ইচ্ছে যদি হত সারাদিন পথে পথে হাঁটতে,
হাঁটতে। ইচ্ছে যদি হত মেথরপট্টি গিয়ে পেট ভরে মদ
খেতে, খেতে। কে তোমাকে বাঁধা দিত ! জীবন তোমার
হাতের মুঠোয় ছিল, এই জীবন নিয়ে যেমন ইচ্ছে খেলেছ।
আমার ভেবে অবাক লাগে জীবন এখন তোমার হাতের
মুঠোয় নেই। যারা তোমাকে একদিন ট্রাকে উঠিয়ে
মিঠেখালি নিয়ে গেল মাটির তলায় পুঁতে রাখতে, তুমি
তাদের বলতে পারোনি না যাব না। ঘুরে দাঁড়াতে
পারোনি। মিঠেখালির সেই কবরখানার কথা বড় মনে
পড়ে, একদিন তুমি বলেছিলে – এখানে আমার বড় মামা
আছেন, সেজ মামাও, আমার নানু, নানা। কে জানত, এরপর
তোমার চেয়ে দ্বিগুণ বয়সী তোমার মামা মামি মা
খালাদের রেখে তুমি ওই কবরখানায় ঢুকবে!

আচ্ছা রুদ্র, তোমার শরীরখানাকে যখন মাটিচাপা দিল
তখন কষ্ট হয়নি তোমার? মাঝে মধ্যে আমি মাটি চাপা
কষ্ট অনুভব করি, মনে হয় আশেপাশের মানুষগুলো আমাকে
আস্ত পুঁতে ফেলছে মাটিতে, আমার চোখে আলো পড়ছে
না। আমি কথা বলতে পারছি না। শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।
মৃত্যুর আগেই এমন মৃত্যুযন্ত্রণা অনুভব আর কি কেউ করে?
এদিক থেকে আমার বোধহয় লাভই হল, আমি যখন মরব,
আমার কষ্ট অনেকটা কমে আসবে। বলতে পারো আমি
কিভাবে মরব? আমি ঠিক জানি ওরা আমাকে মেরে
ফেলবে একদিন, যেকোনও দিন দেখব মরে পড়ে আছি।
হাত পায়ের রগ কাটা। আমাকে তুমি বলেছিলে – ‘আমার
মরতে ইচ্ছে করে মিছিলে, গুলি খেয়ে।’ মৃত্যুর কথা শুনে
আমার গা কাঁপত। জগতে মৃত্যুর মত ভয়ংকর আর কিছু নেই।
মৃত্যু আছে জেনেও আমি বুঝি না মানুষ কি করে
দীর্ঘস্থায়ী করে মানুষের প্রতি মানুষের বিদ্বেষ,
বিচ্ছেদ! ভাবলে আমার অবাক লাগে এই পৃথিবীতে আমি
আর থাকব না। আমিও তোমার মত হুট করে একদিন মরে
যাব। তোমার মত দাঁত মাজতে মাজতে চমৎকার একটি
দিন শুরু করব যখন, দেখব মুখ থুবড়ে পড়ে আছি বেসিনে।
আচ্ছা, এরকম হতে পারে না প্রতি একশ বছর পর পর জন্ম
নেব! তাতে একটি লাভ হবে, মানুষ কত সভ্য হল তা চোখে
দেখতে পাব। এখন তো আমার প্রায়ই মনে হয় এদেশের
মানুষ দিন দিন এমন অধঃপাতে যাচ্ছে, তাদের আর সভ্য
হবার সম্ভাবনা নেই। আবার এও মনে হয় দেশ থেকে
একদিন মৌলবাদ দূর হবে, ধর্ম দূর হবে, মানুষ সুস্থসুন্দর
জীবন যাপন করবে, এরকম দিন নিশ্চয় একদিন আসবে,
একবার দুচোখ মেলে সেই দিনটি আমার দেখতে ইচ্ছে
করে।

তুমি ধর্ম মানতে না, অথচ দেখ তোমার মৃত্যু উপলক্ষ্যে
কোরানখানি মিলাদ মাহফিল কী না হল! তোমার যদি
বাধা দেবার শক্তি থাকত, আমি জানি দিতে। মনে
আছে তুমি আমি দুজন মিলে সন্ধানীতে চোখ
দিয়েছিলাম, শরীর দিয়েছিলাম, যেন মৃত্যুর পর চোখ
কোনও অন্ধকে আলো দেয়, যেন মেডিকেল কলেজের শব-
ব্যবচ্ছেদ কক্ষে শরীর কেটে ছিঁড়ে ছেলে মেয়েরা
লেখাপড়া করে, অথচ তোমার চোখও নিল না কেউ,
শরীরও নিল না! তুমি মুসলমানের মত লোবানের ধোঁয়ায়
ভেসে চুপচাপ কবরে গেলে। আমার বড় মায়া হচ্ছিল
দেখে। আমি যে কাউকে ডেকে বলব ‘ওকে নেবেন না, ও
ওর শরীর দিতে চেয়েছে মেডিকেল কলেজে’….কিন্তু
আমার কথা কে শুনবে ওখানে?

আমি যখন দরজার বাইরে নিস্পন্দ দাঁড়িয়ে ছিলাম, মোহন নামের এক ছেলে তোমাকে আর্ট কলেজে পেটাতে চেয়েছিল একদিন,
হুমকি দিয়েছিল তোমাকে যেন ইউনিভার্সিটি এরিয়ায়
আর না দেখে,সেই ছেলেই দেখলাম তুমি শুয়ে আছ,
তোমার সবচেয়ে কাছে সে বসে আছে। কী অবাক কাণ্ড,
তাই না? তুমি কি বেঁচে থাকলে ওকে এত কাছে বসতে
দিতে? তুমি কি বেঁচে থাকলে দরজার বাইরে একা
দাঁড়িয়ে থাকতে দিতে আমাকে? খোলা দরজা দিয়ে
ঘরের ভেতর যেটুকু দেখা যায়, বড় শখ করে সাজানো
আমার সংসারটি দেখছিলাম, ময়মনসিংহ থেকে দুজনে
শোবার জন্য খাট বানিয়ে এনেছিলাম, বসবার জন্য
চেয়ার, বই রাখবার আলমারি, কবিতা লিখবার টেবিল।
স্বপ্নগুলো তখন টগবগে ঘোড়ার মতছিল, বাঁধ মানত না
কিছু। আমার বাবা যখন আদেশ দিলেন ঘরের বাইরে
যাওয়া চলবে না, আমি রুখে উঠলাম যাব ব’লে। মা এসে
কেঁদে পড়লেন, আমি মাকে ঠেলে সরিয়ে তোমার কাছে
চলে এসেছিলাম। প্রেম বুঝি এমনই দুরন্ত হয়। যেদিন
আমার বাবার বাড়ি থেকে বাবা মায়ের আদেশ নিষেধ
তুচ্ছ করে তোমার তাজমহল রোডের বাড়িতে উঠেছিলাম,
তুমি ছিলে না। পাগলের মত অপেক্ষা করেছি কখন
ফিরবে, ফিরলে রাত একটায়, দরজা খুলে জড়িয়ে ধরতে
যাব তোমাকে, দেখি তোমার মুখ থেকে ভুর ভুর করে
মদের গন্ধ বেরোচ্ছে, আমি তখন মদ চিনি না, মাতাল
চিনি না, ভয়ে কুঁকড়ে ছিলাম সারারাত। আহা,
প্রেমিকের সঙ্গে যাপন করা আমার প্রথম সেই রাত!
আচ্ছা, তোমার লালবাগের সেই প্রেমিকাটির খবর কি,
দীর্ঘবছর প্রেম করেছিলে তোমার যে নেলীখালার
সঙ্গে? তার উদ্দেশ্যে তোমার দিস্তা দিস্তা প্রেমের
কবিতা দেখে আমি কি ভীষণ কেঁদেছিলাম একদিন !
তুমি আর কারও সঙ্গে প্রেম করছ এ আমার সইত না। কি
অবুঝ বালিকা ছিলাম, তাই না? যেন আমাকেই তোমার
ভালবাসতে হবে, যেন আমরা দুজন জন্মেছিই দুজনের
জন্য। যেন আর কেউ আমাদের হৃদয়ে ঠাঁই পেতে পারে
না। আসলে কেউ কি কারও জন্য জন্মায়? আমি অনেকটা
জীবন পেরিয়ে এসে এখন বুঝি মানুষ আসলে নিজের জন্য
জন্মায়। তুমি যেদিন বললে তোমার নেলীখালার সঙ্গে
তুমি শুয়েওছিলে, আমার ইচ্ছে হয়েছিল আত্মহত্যা করি।
তখন আমি অপিয়ামের নাম জানি, যা খেলে খুব নীরবে
মরে যায় মানুষ। যদি বুদ্ধি করে অপিয়াম এনে দিতে
হাতে, ওর নির্যাসটুকু পান করে দিব্যি মরে যেতে
পারতাম। এক রাতে নেলীখালা এসেছিল বাড়িতে, তুমি
ব্যাকুল হয়ে উঠলে, তোমার চোখের তারায় ভালবাসা
কাঁপছিল। আমার একা একা লাগছিল, যে আমি তোমাকে
দুদণ্ড চোখের আড়াল করতে পারি না সেই আমাকে তুমি
একা ঘরে ফেলে খালার সঙ্গে পাশের ঘরে দীর্ঘ-দীর্ঘ-
ক্ষণ কাটিয়ে দিলে।

মাঝে মধ্যে আমার মনে হত আমি
বোধহয় খুব স্বার্থপর, তোমাকে আমি কারও সঙ্গে ভাগ
করতে চাই না। তুমি তা বুঝেই হয়ত মুক্ত দাম্পত্যের কথা
বলতে, যেন আমার জীবনে তোমাকে এত শক্ত করে না
বাঁধি। তুমি বাঁধন আলগা করতে চাইতে কেবল নিজের
বেলায়। আমার বেলায় কিন্তু নয়। একবার আমি ভাইয়ের
বাড়িতে গিয়েছিলাম নয়াপল্টন, একা; বিকেলে ফিরে
এলে বললে – ‘তুমি কারও সঙ্গে রিক্সায় কলাবাগানের
দিকে গিয়েছ?’ বললাম – নাতো! – ‘তবে যে তোমার মত
দেখলাম?’ বললাম – ‘ভুল দেখেছ।’ এই ভুল দেখা নিয়ে
তুমি কিন্তু ছটফট কম করনি। আমি কারও সঙ্গে মিশেছি
জানলে যদি তোমার কষ্ট হয় তবে তুমি কেন বুঝতে
চাইবে না যে আমারও কষ্ট হয় তুমি যখন আমাকে একা
রেখে লালবাগ যাও, বাণিয়াশান্তা যাও! আসলে
দাম্পত্য মানেই বন্ধন, এ কখনও মুক্ত হয় না। মুক্ত হলে এটি
আর দাম্পত্য থাকে না।

আমার সবচেয়ে ভাল লাগত ম্যাচবাক্স টোকা দিয়ে
দিয়ে যখন গাইতে ‘আমার মনের কোণে বাউরি বাতাস…’
তখন আমার মনের কোণেও, আমি অবাক হয়ে লক্ষ করতাম
বাউরি বাতাস বইছে। তুমি কি এখন আর গান গাইবে না
রুদ্র? সাকুরার কোণার টেবিলে বসে আমাদের কত
গানের দুপুর কেটেছে! মাঝে মধ্যে সাকুরার সেই
টেবিলটিতে বসি, এক দু পেগ ব্ল্যাক লেবেল পান করি,
আর ভেবে খুব হাসি পায় মদ ব্যাপারটিকে একসময় কী
ভীষণ ঘৃণা করতাম! তুমি মদ খেয়েছ শুনলে সারারাত
বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদতাম! বালিকা বয়সে সবাই বোধহয়
ওরকমই হয়।

যেদিন ট্রাকে করে তোমাকে নিয়ে গেল বাড়ি থেকে,
আমার খুব দম বন্ধ লাগছিল, ঢাকা শহরটিকে এত ফাঁকা
আর কখনও লাগেনি। বুকের মধ্যে আমার এত হাহাকারও
আর কখনও জমেনি। আমি ঢাকা ছেড়ে সেদিন চলে
গিয়েছিলাম, ময়মনসিংহে আমার ঘরে বাক্স ভর্তি
তোমার চিঠিগুলো হাতে নিয়ে জন্মের কান্না
কেঁদেছিলাম। আমাদের বিচ্ছেদ ছিল চার বছরের, এত
বছর পরও তুমি কী গভীর করে আমার বুকের মধ্যে রয়ে
গিয়েছিলে, সেদিন আমি টের পেয়েছি। তোমার সঙ্গে
শেষ দিকে হঠাৎ হঠাৎ দেখা হত, একবার আমার
আরমানিটোলার বাড়ি নিয়ে এলাম তোমাকে, আঙুল
তোমার পচে যাচ্ছিল, সেটিকে মেডিকেলে নিয়ে পুঁজ
রক্ত বার করে ব্যাণ্ডেজ করে দিলাম, বাড়ি এনে ভাত
খাইয়ে দিলাম মুখে তুলে। তুমি শিশুর মত আদর নিলে।
আদর পেলে তুমিও শরীর পেতে সেই আদর গ্রহণ কর, কিন্তু
হঠাৎ তোমার কী হয় কে জানে, সব আদর পায়ে মাড়িয়ে
চলে যাও।

আমার এই দুঃখ কোনওদিন যাবে না, যে,
তোমাকে আমি আমার করে কখনও পেতে পারিনি। শেষ
দিকে ব্যবসা বাণিজ্যে মার খেয়ে গেলে বলেই হয়ত
ওষুধ কিনবার পয়সাও তোমার পকেটে ছিল না, আমার বড়
হাসি পায় দেখে এখন তোমার শয়ে শয়ে বন্ধু বেরোচ্ছে,
তারা তখন কোথায় ছিল যখন পয়সার অভাবে তুমি একটি
সিঙারা খেয়ে দুপুর কাটিয়েছ? আমি না হয় তোমার বন্ধু
নই তোমাকে ছেড়ে চলে এসেছিলাম বলে, এই যে এখন
তোমার নামে মেলা হয়, তোমার চেনা এক আমিই বোধহয়
অনুপস্থিত থাকি মেলায়,যারা এখন রুদ্র রুদ্র বলে মাতম
করে বুঝি না তারা তখন কোথায় ছিল, কেন আমি
তোমাকে ত্যাগ করবার পরও আমাকেই তোমার পকেটে
টাকা গুঁজে দিতে হত? মাতম করা বন্ধুদের বেশির ভাগই
যে কেবলই তোমার বাংলা-মদ-পানের পার্টনার ছিল, সে
আমি জানি।

তুমি খুব চাইতে লেখাকে তোমার পেশা করতে।
পারোনি। যারা তোমাকে চেনে না, যখন জিজ্ঞেস করত
‘আপনি কি করেন’, তুমি বলতে ‘লিখি’। ওরা অবাক হত
শুনে। ভাবতো লেখা আবার কোনও পেশা হয় নাকি?
লেখাকে শেষ অবদি পেশা করেছি আমি। স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের ডিজির টেবিলে রেজিগনেশন রেখে চলে
এসেছি প্রায় একবছর হল। এর মধ্যে কত কিছু ঘটে গেছে
তুমি কি খবর রাখো? আকাশ থেকে তো সব দেখা যায়,
তুমি কি দেখ? নাকি সবাইকে খুব ক্ষুদ্র মনে হয়!
পিপীলিকার মত মানুষগুলো হাঁটছে দৌড়াচ্ছে, ঘরবাড়ি
গড়ছে, স্বপ্ন দেখছে, মরে যাচ্ছে, তুচ্ছ এই জীবনের
সুখের জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে-মাঝে মধ্যে বেঁচে
থাকবার জন্য মানুষের কাণ্ড দেখে এই জগতে দাঁড়িয়েও
আমার হাসি পায়, তুমি কেন হাসবে না, বল! তুমি তো
সকল সীমানার বাইরে চলে গেছ, আমাদের এই ক্ষুদ্র
গণ্ডি থেকে অনেক দূরে।

তবে কী জানো রুদ্র, মানুষের
প্রতি মানুষের ঈর্ষা যে এত মারাত্মক হতে পারে তা
সাহিত্য করবার আগে আমার জানা ছিল না। কলকাতা
থেকে আমাকে আনন্দ পুরস্কার দিল, লোকে এ নিয়ে বড়
রাগ করল, আমার বই বিক্রি হয় তাতেও ওদের রাগ,
আমাকে ডুবিয়ে ভাসিয়ে পত্রিকা বিক্রি করল, হু হু করে
বিক্রি হল সব, তাতেও ওদের রাগ কএম না, এখন ধুমসে বই
লেখা চলছে আমাকে নিয়ে, কবে কাকে দুটো চিঠি
লিখেছি সেই চিঠি নিয়ে বই। রেজাকে চিনতে না?
আমার একটি চিঠির বই বার করছে। কেন এসব হয় বল তো,
তুমি তো একবার পত্রিকায় লিখলে তোমার ওপর রাগ
করে আমি যেন আর পুরুষমানুষদের বিরুদ্ধে না লিখি, যেন
ক্ষমা করে দিই। পুরুষদের ক্ষমা তো আমি করতেই চাই,
কিন্তু তুমি কি পারতে আমার জায়গায় হলে? আমার মত
ভুগতে যদি পুরুষ দ্বারা, জানি, খুব ভালো করেই জানি
তুমি ক্ষমা করতে না।

তোমার সঙ্গে আমি দেখেছি সবচেয়ে বেশি জমত
সাহিত্যের গল্পে; সমাজ পরিবর্তনের জন্য তোমার
ভাবনাগুলো, আমার ভাবনার সঙ্গে বড় মিলত। একবার
মনে আছে ‘কালো কাঁচ গাড়ি’ নিয়ে তুমি আমি দুজনেই
আধঘণ্টায় একটি কবিতা লিখব বলে স্থির করি। কবিতা
লেখা শেষ করে দেখি তোমার আমার কবিতার বিষয়
হুবহু এক, বর্ণনা শুধু ভিন্ন। সাহিত্যের আড্ডা যখন হয়,
আমার বাড়িতেই মাঝে মাঝে আসর বসাই, তোমার অভাব
খুব অনুভব করি, হঠাৎ হঠাৎ আনমনা হয়ে যাই যে তুমি
থাকলেবোধহয় সেই গানটি ধরতে, ‘আমার মনের কোণে
বাউরি বাতাস...’। কতদিন আমার মনে বাউরি বাতাস বয়
না, কতদিন আমি আর আবেগে আগের মত কাঁপি না, যেমন
কেঁপে উঠতাম তোমার সামান্য স্পর্শে। সবচেয়ে যে
জিনিসটি আমি বেশি চাইতাম দুজনের মধ্যে, তা নিখাদ
ভালবাসা আর বিশ্বাস। তুমি দিন দিন লুকিয়ে লুকিয়ে
সেটিরই খেলাপ করতে। তুমি করতে সে তোমার অক্ষমতা,
তবে আমি কিন্তু মরতে দিইনি তোমার প্রতি আমার
তীব্র ভালবাসাকে। আমি রাগ করেছি, তালাকনামা
পাঠিয়েছি, কিন্তু আবেগ একফোঁটা কমেনি। একা একা
বুকে করে সব বয়ে বেড়িয়েছি। এখনও তোমার পুরোনো
চিঠিগুলোদেখলে হৃদয়ে ধুকপুক বাড়ে। মনে পড়ে তোমার
এক একটি চিঠি আমাকে এক সমুদ্র সুখে ভিজিয়ে রাখত।
কত কী যে ঘটে গেল, এখন আমার জীবন জুড়ে তুমি নেই
তোমার চিঠি আছে, ‘তুমি নেই তোমার বন্ধন পড়ে আছে’র
মত। চিঠিগুলো দুলাল নামের এক ছেলে চেয়েছিল ছেপে
দেবার জন্য, দিইনি। একান্ত যা আমার, তা আমি সাত
লোককে পড়াবো কেন?

শেষদিকে তুমি শিমুল নামের এক মেয়েকে
ভালোবাসতে। বিয়ের কথাও হচ্ছিল। আমাকে শিমুলের
সব গল্প একদিন করলে। শুনে, তুমি বোঝনি, আমার খুব কষ্ট
হচ্ছিল। এই ভেবে যে তুমি কি অনায়াসে প্রেম করছ,
তার গল্পও শোনাচ্ছ, ঠিক এরকম অনুভব একসময় আমার
জন্য ছিল তোমার। আজ আরেক জনের জন্য তোমার
অস্থিরতা, নির্ঘুম রাত কাটাবার গল্প শুনে আমার কান্না
পায় না বল? তুমি শিমুলকে নিয়ে কী কী কবিতা লিখলে
তা দিব্যি বলে গেলে, আমাকে আবার জিজ্ঞেসও
করলে- কেমন হয়েছে? আমি বললাম - খুব ভাল। তুমি হঠাৎ
হঠাৎ বড় অকপট ছিলে, যে জিনিসটি আমার বড় ভাল
লাগত। শিমুল মেয়েটিকে আমি কোনওদিন দেখিনি, তুমি
তাকে ভালবাসো যখন নিজেই বললে, জানি না আমার
ওপর শোধ নেবার জন্যই বললে কি না, আমার খুব কষ্ট
হচ্ছিল, যে কষ্ট তোমাকে আমি বুঝতে দিইনি। কারণ
তোমাকে ছেড়ে কারও সঙ্গে এক ঘরে হয়ত আমি বাস
করেছি কিন্তু ভালবাসতে পারিনি, ভালবাসা যে যাকে
তাকে বিলোবার জিনিস নয় এ কথা তুমি যদি না বোঝ,
পাছে আমাকে দোষী কর, তাই বলিওনি শত কোলাহলে
ডুবে থেকেও আমার একাকীত্বের গল্প। কেবল তোমার
গল্পই শুনে গেছি। শুনতে শুনতে হেসেছি, হাসতে হাসতে
চোখ মুছেছি আঁচলে।

ঠাঁই ছিল না আমার সোনার তরীতে, এঘাটে ওঘাটে
কেবল দিয়ে ফিরেছি, সব দিয়ে নিজের ঘাটে শূন্য তরী
ভিড়িয়েছি। জীবন ভর সকলে কেবল দুহাত ভরে নিল। তা
নিক, আমি যে দিতে পারি এই আমার সুখ। মানুষ তো শেষ
অবধি মানুষের জন্যই।

তোমাকে ছাড়া আর দুটো পুরুষ ছুঁয়েছি বলে লোকে
আমাকে চরিত্রহীন বলে। তুমি যে মালিটোলায়,
লালবাগে, টানবাজারে, বাণিশান্তায় এত নারী ছুঁয়েছ
তোমাকে কিন্তু কেউ চরিত্রহীন বলে না। মেয়েদের
বেলায় যত ছোঁয়াছুঁয়ির বিচার। মেয়েদের বেলায় যত
ছিছি, যত আহা আহা, গেল গেল রব। মেয়েরা যত বড় কবি
হোক, লেখক হোক, বিজ্ঞানী কী বৈমানিক হোক, আগে
সতীত্বটা ঠিক রাখতে হবে তারপর সব। দিন দিন এমন
হচ্ছে যে মেয়েরা সতী হবার চেষ্টাই প্রাণপণে করে
যায়, অন্য কিছু হবার পেছনে সময় অত ব্যয় করে না।
মেয়েরা আসলে সতীত্ব বেঁচে খায়। আর এই সতীত্ব বেঁচে
খাওয়ায় পুরুষেরা বড় প্রীত থাকে মেয়েদের প্রতি, আর
মেয়েরাও এমন নির্বোধ যে পুরুষদের আরও প্রীত করবার
জন্য জীবনভর ব্যস্ত থাকে। অধিকাংশ মেয়েদের তো
নিজের খাবার নিজে যোগাড় করার যোগ্যতা নেই,
পরের ওপর খায়। পরনির্ভর মেয়েরা যখন সতীত্বের বড়াই
করে, দেখে এত রাগ হয় আমার কী বলব!

আকাশের সঙ্গে কত কথা হয় রোজ। কষ্টের কথা, সুখের
কথা। এখনও রাতের আকাশ পেলে কাজকম্ম ফেলে
কিশোর-বেলার মত নক্ষত্র গুনি। একদিন আকাশ ভরা
জ্যোৎস্নায় গা ভেসে যাচ্ছিল আমাদের, তুমি দুচারটে
কষ্টের কথা বলে নিজের লেখা একটি গান শুনিয়েছিলে
- ‘ভাল আছি ভাল থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি
লিখো।’ মংলায় বসে গানটি লিখেছিলে। মনে মনে কার
চিঠি তুমি চেয়েছিলে? আমার? নেলীখালার? শিমুলের?
অনেকদিন ইচ্ছে তোমাকে একটি চিঠি লিখি। একটা
সময় ছিল, তোমাকে প্রতিদিন চিঠি লিখতাম,তুমিও
লিখতে প্রতিদিন। তোমার অনেকগুলো ঠিকানা ছিল,
মংলার, মিঠেখালির, ঢাকার। আর সেবার
আরমানিটোলার বাড়িতে বসে দিলে আকাশের
ঠিকানা। তুমি পাবে তো এই চিঠি? আকাশের সঙ্গে
আমারও বন্ধুত্ব ভাল। যে কোনও দিন হুট করে চলে যাব
তুলোর মত উড়ে বেড়াতে। না পড়া বইগুলো ফেলে, গোছা
গোছা স্বপ্ন ফেলে, প্রিয় মানুষ ফেলে, তুমি যেমন চলে
গেছ, এমন তো আমিও যাব।নক্ষত্রগুলোর সঙ্গে এক্কা
দোক্কা খেলব।

জগতের দিকে চোখ রেখে আমার কি
তখন খানিকটা দুঃখ হবে এই ভেবে যে কিছুই দেখা হয়নি
যা দেখার কথা ছিল! হবে হয়ত, জীবন এবং জগতের তৃষ্ণা
তো মানুষের কখনও মেটে না। তবু মানুষ আর বাঁচে কদিন,
বল? দিন তো ফুরোয়। আমারও কি দিন ফুরোচ্ছে না?
তুমি ভাল থেকো। আমি ভাল নেই।

ইতি
সকাল

পুনশ্চ- আমাকে সকাল বলে ডাকতে তুমি। কতকাল ওই ডাক
শুনি না! তুমি কি আকাশ থেকে ‘সকাল, আমার সকাল’
বলে মাঝে মধ্যে ডাকো? নাকি আমি ভুল শুনি !

★.Source : "কবিতার মায়াজাল"

﹋﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

** Note: ® [This is one of my Favorite Bangla,/English Articles. I own none of the content within the post, only the drafting/typing time spent. No copyright infringement intended. The contents of this post are the intellectual property and copyright of their owner(s)/author(s). All content is owned by its respective owner(s)/companies. If you own any of the content and wish for me to remove this post from my personal blog (Dhumkeatu's Diary - A personal online diary : Where I Wandered Lonely as a Cloud...) please contact me and I will do so. Here this post is provided for educational purposes and personal use only. Thank you.]

﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹌﹌﹋﹋﹌﹋﹌﹋﹋﹌﹋

*** N.B : [All the post on this blog (Dhumkeatu's Diary) is only for Personal Collection/Personal use only. There are no other intention to Plagiarism on any others post or content. Advance apologize for any objection of any Author, Publisher, Blog, Website & the others printing media for posting/re-posting any contents on this Personal Blog - "Dhumkeatu's Diary - A personal online diary : where I Wandered Lonely as a Cloud."]

*** Believe : "Happiness is a Choice & Life is Beautiful."
''Zindagi Na Milegi Dobara." Just keep Livin...!!!
Keep Smile.......!! Happy Living......!!! :) :) :)
Thank You, Good Luck......!!! :) :) :) 🌷🙏🌷

*** Posted by : © "Dhumkeatu's Diary" || 25.06.2018 || 🇧🇩

āĻĒ্āϰি⧟ āĻ—াāύেāϰ āϏংāĻ•্āώিāĻĒ্āϤ āϤাāϞিāĻ•া...

**āĻĒ্āϰি⧟ āĻ—াāύেāϰ āϏংāĻ•্āώিāĻĒ্āϤ āϤাāϞিāĻ•া... ā§§) āĻŽāύ āĻļুāϧু āĻŽāĻŽ āĻ›ুঁ⧟েāĻ›ে- āϏোāϞāϏ ⧍)āύিঃāϏ্āĻŦ āĻ•āϰেāĻ› āφāĻŽা⧟ - āĻļাāĻĢিāύ ā§Š)āĻĢিāϰি⧟ে āĻĻাāĻ“- āĻŽাāχāϞāϏ ā§Ē)āĻļ্āϰাāĻŦāύেāϰ āĻŽেāϘāĻ—ু...